মোসলেহ উদ্দিন তরুন

মোসলেহ উদ্দিন তরুন
সংগীত সংকলক
ট্রাফিক সম্প্রচার কার্যক্রম ৮৮.৮
বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা
তথ্য মন্ত্রণালয়
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

তথ্য মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

মোসলেহ উদ্দিন তরুন –  সংগীত সংকলক, সাংবাদিক, উপস্থাপক, শিক্ষক, প্রযোজক, উদ্যোগত্তা, ও সংবাদপাঠক মোসলেহ উদ্দিন তরুনের জন্ম ১লা মার্চ ১৯৮৮ সালে দ্বীপজেলা ভোলার বোরহান উদ্দিন উপজেলার মেঘনা নদীতে বিলীন হওয়া র্মিজাকালু বাজার এলাকায় হাসাননগর গ্রামে একটি মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন । বর্তমানে একই জেলার চরফ্যাশন উপজেলার পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে টাউন স্কুল, ফ্যাশন পাড়ায় রিল্যাক্স হাউজ ও একই উপজেলার ফ্যাসনগঞ্জ জিন্নাগড় ৮ নং ওয়ার্ডে তাঁর গ্রামের বাড়ি।

কর্মজীবনে বর্তামনে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ বেতার, ঢাকার ট্রাফিক এফ.এম ৮৮.৮ স্টেশনে সংগীত সংকলক (অ.শি) হিসেবে কর্মরত আছেন । তার পূর্বে কিছু দিন বাংলাদেশ টেলিভিশনে সংবাদ বিভাগে বার্তা পরিচালকের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন । তিনি ২০১৭ সালে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার ষোলআনি গ্রামে লাল আয়াতুন আইডিয়াল স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দুই মাস চাকুরি করেছেন । তার পূর্বে সাবেক রাষ্ট্রপতি ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদের প্রতিষ্ঠিত রাজধানী ঢাকার বনানীতে অতীশ দ্বীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে তিন বছর চাকরি করেন । তার কর্মজীবনের প্রথম চাকরী হিসেবে রাজধানী ঢাকার বাংলামটরে অবস্থতি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ স্যারের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মিরপুর রোকেয়া স্মরণী ইউনিটের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরিয়ান হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন ।

শিক্ষা জীবনে তিনি শিশু শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মির্জাকালু বাজারে নদীতে বিলীন হওয়া সাবেক হাসাননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী সম্পন্ন করেন । ২০০২ সালে এস.এস.সি পরীক্ষায় ৩টি এ+ নিয়ে মির্জাকালু হাই স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে ঢাকার নরসিংদী সরকারি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে ২০০৪ সালে এইচ.এস.সিতে বাংলায় এ+ পেয়ে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন । ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষে রাজধানী ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভাগে ভর্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে সাহিত্য চর্চা ও পড়াশোনা শুরু করেন । ২০০৮ সালে অনার্স সম্পন্ন করার কথা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শেসন জটের কারণে ২০১০ সালে অনার্স পরীক্ষা দিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করে দ্বিতয়ি শেণীতে উত্তীর্ণ হন । ২০০৯ সালে মাস্টার্স শেষ করার কথা থাকলেও তা ২০১২ সালে চূড়ান্ত পরীক্ষার মাধ্যমে দ্বিতীয় শেণীতে উত্তীর্ণ হয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন জনাব মোসলেহ উদ্দিন তরুন ।

এক্সট্রা কোয়ালিটি হিসেবে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে ডিজিটাল আইসিটি এর উপর  চার মাস ব্যাপী কোর্স ও আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউট থেকে ইংরেজি ভাষার উপর তিন মাসের সংক্ষিপ্ত কোর্স সম্পন্ন করেন । গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের জাতীয় গণমাধ্যম ইন্সটিটিউট থেকে “বেতার ও টেলিভিশনে সংবাদ রিপোর্টিং এবং প্রেস ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ থেকে জনসংযোগ ও ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে কর্মশালা করেন । এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টি.এস.সিতে ঢাবি ফটোগ্রাফিক সোসাইটি থেকে ফটো ও ভিডিও গ্রাফির উপর তিন মাস ব্যাপী কোর্স, দৃষ্টিপাত নাট্য দলের ৫টি নাটকে মঞ্চ অভিনয় এবং শব্দার্থ আবৃত্তি একাডেমিতে আবৃত্তির উপর কর্মশালাসহ দৈনিক প্রথম আলো জবস থেকে সংবাদ পাঠের উপর মাস ব্যাপি কোর্স সম্পন্ন করেন ।

মিডিয়া জগতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সময় ২০০৭ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত দৈনিক সমাচার (এক বছর) দৈনিক করতোয়া (এক বছর), দৈনিক জনপদ (দুই বছর), বাংলার চোখ ফটো সংস্থা (দুই বছর) এবং রেডিও টু-ডে এফ.এম ৮৯.৬ স্টেশনে ছয় মাস ক্যাম্পাস রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন । সেই সুবাদে ২০১০-১১ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিরি সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে এক বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন ।

সাংগঠনিক হিসেবে জনাব মোসলেহ উদ্দিন তরুন একজন প্রগতিশীল, আধুনিক, ডিজিটাল ও উন্নয়ন নির্ভরশীল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে ২০১৪ সাল থেকে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় কমিটির সহ তথ্য সম্পাদক, মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন । এছাড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক জোটের (২০১৪) প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আবুত্তি সংসদের (২০০৮) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, জবির অন-লাইন ক্যাম্পাস রেডিও জেএনএইউ রেডিও মাইন্ড এর (২০১০) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও জবরি শিক্ষা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মাসিক ম্যাগাজিন প্রতিভা বিকাশের (২০১১) প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন । সেই সুবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক স্টান্ডিং কমিটির সদস্য হিসেবে ২০১০৪-১২ সাল পর্যন্ত চার বছর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সাথে ভিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কমিটিতে কাজ করেছিলেন ।

পারিবারিক জীবনে- তার পিতা হাজী মোঃ মাতলুব একজন স্কুল শিক্ষক ও মাতা বিবি আয়শা একজন গৃহিণী ছিলেন ।  তার একমাত্র বড় বোন নুরুননেসা বেগম একজন আধুনিক, শিক্ষিত ও রত্নর্গভা চার সন্তানের জননী ।  তার  বড় বোন নুরুননেসা বেগমের চার সন্তান তথা শাহনাজ বেগম (ডিগ্রী), আবব্বাস উদ্দিন আপন (অনার্স), আল আমিন পাপন (এইচ.এস.সি) ও সাদিয়া আক্তার (২য় শ্রেণী) কে নিয়ে বড় বোনের আদর স্নেহ ও ভালবাসায় রাজধানী ঢাকার কারওয়ান বাজার গার্ডেন রোডে “র্নিবাসন” বাসার পর বর্তমানে ”ছবি বিলাস” নামের বাসায় শিল্প, সাহিত্য ও সামাজিক এবং সাংস্কৃতিকভাবে উচ্চজীবন যাপন করছেন ।